ই- কমার্স সাইটের অতিত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ– বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট

0
488

তথ্য প্রযুক্তির একটি অনন্য  অবদান  ই-কমার্স  । বিশ্ব বাজার জুড়ে বর্তমানে যার অবাধ বিচরণ । স্বা্ধীনতা  পরবর্তী সময় থেকে  ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ পর্যন্ত  তথ্য প্রযুক্তির সংস্পশ থেকে  দূরে অবস্থান ছিল বাংলাদেশের । মূল্যবান  সময় অপচয় এবং অগ্রসমান বিশ্বের বাণিজ্যে  আমাদের পদচারণা  ছিল নিম্ন পযায়ের । অথনৈতিক  সূচক একটি দেশের উন্নয়নের  মাপকাঠি , আর তথ্য প্রযুক্তির উন্নতির মাধ্যমে ই-কমা র্স   জগতে আমাদের প্রবেশ আমেরিকা  প্রবাসী কিছু  বাংলাদেশীর মাধ্যমে ।  তাদের উদ্ভাবিত  ই-কমা র্স   সাইটির  নাম ছিল  www.topallbrand.com । পরবর্তী সময়ে সরকার  ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ  ই-কমার্স  উন্নয়নকে তরান্বিত করে । এনালগ সময় টাতে সবকিছু  ছিল সময়   সাপেক্ষ । স্বাভাবিক জীবনযাএায় কেনাকাটা , চলাফেরা র জন্য আমাদের  প্রচুর সময় ব্যয় করতে হত । দেশীয় বাজারে  পণ্যের  বৈচিএতায় ছিল অনেক অভাব । দেশীয় বাজারে আমাদের প্রয়োজনীয় অনেক কিছু আমরা পেতাম না  অথবা  উচ্চ  মূল্য আমাদের পরিশোধ করতে হত । আমরা  এই বাধা পেরিয়ে আসতে পেরেছি  ই-কমার্স  এ প্রবেশের মাধ্যমে ।  অতীতের অনুন্নয়নশীল বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে  অন্তৃভক্তির পেছনে  ই-কমার্স  এর  রয়েছে গুরুত্বপূণ  অবদান ।

আরব্য  উপন্যাসের আলাদীনের চেরাগের  আশ্চয ক্ষমতার মতই  ই-কমার্স   এর  মাধ্যমে আমরা আমাদের  যেকোন বিল পরিোশধ , খেলার  টিকেট , কেনাকাটা , বিভিন্ন প্রকার অথনৈতিক কম্রকান্ড  ই-কমার্স   এর  মাধ্যমে ঘরে বসেই  ডিভাইসের এক ক্লিকের মাধ্যমেই  সমাধা করতে পারছি । বতমান সমীক্ষা  অনুযায়ী বাংলাদেশে অনলাইন ব্যবহারকারীর সংখ্যা এক কোটির মত , যারা তাদের  অথনৈতিক কমকান্ড  ই-কমার্স  সাইটে অবস্হান করেই  সম্পন্ন করতে পারে । এত প্রচুর সংখ্যক জনগোষ্ঠীর  ই-কমার্স  ব্যবহারের মাধ্যমে লাভবান হতে পারে  সংস্হাগুলো , ক্রেতাসাধারণ এবং সবোপরি আমাদের সমাজ । আগামী দিনগুলোতে ক্রমবধমান ব্যবহারকারীর সংখ্যা  বিবেচনায় রেখে  ই-কমার্স  এর  ব্যবহার —– ব্যবসায় থেকে  ব্যবসায় , ব্যবসায় থেকে ভোক্তা , ভোক্তা থেকে ভোক্তা , ব্যবসায় থেকে  কর্মচারী , বাণিজ্যক দিক নিদ্রেশনায়  ই-কমার্স  এর   প্রয়োগ  ই-কমার্স  এর   যাএাপথকে মসৃণ করেছে । গার্মেন্টস সেক্টরের গুরুত্বপূ্র্ণ  এেতা  এবং সরবরাহকারীরা ই-কমার্স  এর   মাধ্যমে তারা  তাদের ভূমিকা  রাখেছে ।

ভবিষ্যত যাএাপথে ফেসবুক , টুইটারের মত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দ্বারা  ই-কমার্স  আরও  প্রসারিত হবে । কারন  এসব সেবা ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই  চলেছে ।  স্মার্ট ফোন ব্যবহারকারীর মাধ্যমেও  ই-কমার্স  এর ব্যবহার বাড়বে । বৈশ্বিক শিল্পায়নের যুগে নতুন উৎপাদনকারীরাও  তাদের উৎপাদিত পণ্য  অথবা সেবা  প্রদানকারী সংস্হাগুলো  তাদের  বাণিজ্য প্রসারেও  ই-কমার্স  সেবাই ব্যবহার করবে । আগামীদিনগুলোতে  ই-কমার্স   আরও নতুনভাবে  আবির্ভূত হবে তাদের মেধা এবং মননকে ব্যবহার করে ।  ই-কমার্স  সাইটগুলোর আধুনিকায়ন এবং পরিমার্জন আরও বাড়াতে হবে ।  কারণ তথ্যপ্রযুক্তির সাথে সম্পৃক্ত  নতুন প্রজ্ন্ম এর কাছে  ই-কমার্স   এর  গ্রহণযোগ্যতা  যেহেতু বাড়ছে ।  মাক্রেট রিসার্চ বাড়ানো এবং  নতুন বাজার কৌশল উদ্ভাবন  ই-কমার্স  ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here