সাজে বসন্তের রং

0
1900

বসন্তের শুরুতে প্রকৃতির মতো মানুষের মনেও দোলা দেয় ফাল্গুনের হাওয়া। আর তাই তো সবাই বাসন্তী রংয়ে সেজে নেমে পরে বসন্তকে স্বাগত জানাতে।বসন্তের প্রথম দিন নিয়ে সবার মধ্যেই থাকে আগ্রহ। আর বসন্তের আয়োজনে মধ্যমণি হয়ে থাকে ‘একুশে বইমেলা’। তাই বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলা একাডেমির আশপাশেই তরুণ-তরুণী এবং নানান বয়সিদের ভিড় জমে বেশি।ফাল্গুন মানেই বাসন্তী রংয়ের মেলা। তবে এ যুগে বসন্ত বরণে লাল, সবুজ, কমলা, মেরুন ইত্যাদি রংও বেশ চোখে পরে।
ফাল্গুনের পোশাক হিসেবে শাড়িই বেশি জনপ্রিয়। হলুদ-লাল পাড়ের শাড়ি, হাত ভর্তি চুড়ি আর মাথায় গাঁদাফুল— সব মিলিয়ে পূর্ণতা পায় বসন্তের সাজ। তবে এখন অনেকেই শাড়ি ছাড়াও সালোয়ার-কামিজ বা ফতুয়া পরেন। বসন্ত বরণ উপলক্ষ্যে ইতোমধ্যে দেশীয় ফ্যাশন ঘরগুলো সেজেছে নানান রংয়ে।‘বিশ্ব রঙ’ ফ্যাশন ঘরের কর্ণধার বিপ্লব সাহা বলেন, “বিশ্বরঙে বার মাসই যেন ফাল্গুন লেগে থাকে। বসন্তের রং হিসেবে ফাল্গুনের শাড়িতে বাসন্তী ও হলুদ রংয়ের আধিপত্য বেশি। নতুন পাতার রং সবুজও স্থান করে নিয়েছে শাড়ির নকশায়। এর পাশাপাশি লাল-কমলা রংয়ের ও ব্যবহার হয়েছে। সালোয়ার-কামিজ, পাঞ্জাবি, শার্ট, টি-শার্ট, শিশুদের পোশাকের রং ব্যবহারেও বসন্তকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।”“বসন্তে যেহেতু প্রকৃতিতে ফুলের ছড়াছড়ি, তাই নকশার ক্ষেত্রেও ফুল প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদানকে মোটিফ হিসাবে ব্যাবহার করা হয়েছে। এক কথায় পোশাকের নকশায় প্রকৃতিকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।” এমনটাই জানান বিপ্লব সাহা।
`বিশ্ব রঙ’ ছাড়াও প্রায় প্রতিটি ফ্যাশন ঘরই এরমধ্যে বসন্ত বরণের পসরা সাজিয়ে বসেছে।
শাড়ির সঙ্গে এবার ব্লাউজে কিছুটা ভিন্নতা আনা যেতে পারে। হালকা প্রিন্ট বা এক রঙা শাড়ির সঙ্গে প্রিন্টের ব্লাউজ বেশ মানিয়ে যাবে।
সুন্দর পোশাকের সঙ্গে নিজেকেও সুন্দরভাবে সাজিয়ে নেওয়া জরুরি। এ বিষয়ে পরামর্শ দেন ‘রেড’ বিউটি পার্লারের কর্ণধার আফরোজা পারভিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here